ঘূর্ণিঝড়ের নাম কেন ‘আম্ফান’?

ঘূর্ণিঝড় একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বছরের নভেম্বর কিংবা মে মাসের দিকে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। দেশের আবহাওয়া অধিদফতর ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করে ২০০৭ সাল থেকে। এর আগে একটা সময় ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের নামকরণ হতো না।



তখন থেকেই বিভিন্ন সময় আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করা হয়। যেমন- সিডর, আইলা, মহাসেন, রোয়ানু, মোরা, নার্গিস, ফণী ও বুলবুল ইত্যাদি। তারই ধারাবাহিকতায় এবার আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয়েছে ‘আম্ফান’।


ক্রান্তীয় অঞ্চলের ৮টি দেশ প্রথমবার ২০০৪ সালে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য ৬৪টি নামের একটি তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকার শেষ নামটি ছিল ‘আম্ফান’। এই নামটি দিয়েছিলো থাইল্যান্ড। অর্থাৎ ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড়টি আছড়ে পড়লেও এর নামকরণ হয়েছিল আজ থেকে ১৬ বছর আগে।

ইতোমধ্যে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে চলেছে। আগামীকাল মঙ্গলবার বা তার পর দিন বুধবার এটি স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে বলে জানায় আবহাওয়া বিভাগ।


কোনো ঝড়ের গতিবেগ যদি ঘণ্টায় ৩৯ মাইল হয়, তাহলে তাকে একটি নাম দেওয়া হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া অফিসগুলো এ দায়িত্ব পালন করে। ঘূর্ণিঝড়ের এমন নাম দেওয়ার কারণ সব শ্রেণির মানুষ যেন সহজে মনে রাখতে পারে।