বন্ধুর মেয়েকে ধর্ষণের সময় স্বামীকে হাতেনাতে ধরে ফেললেন স্ত্রী

বন্ধুর মেয়ে যখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে তখন তাকে প্রথমবার ধর্ষণ করা হয়। এরপর থেকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তিন বছর ধরে অসংখ্যবার ধর্ষণ করা হয় তাকে। আজ সকালে ওই মেয়েকে ধর্ষণ করতে দেখে ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকে দিয়ে ঘটনাটি জনসম্মুখে আনেন ধর্ষকের স্ত্রী।



কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার বলদিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কেদার গ্রামের ঘটনা। ওই গ্রামের কুদ্দুস প্রধানীর ছেলে দুই সন্তানের জনক মকবুল হোসেন প্রধানী (৪৫) ২০১৭ সালে ওই ছাত্রীকে প্রথম ধর্ষণ করে। সেই থেকে টানা তিন বছর একই গ্রামের বন্ধুর মেয়ে কাশেম বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে আসছে।

মেয়েটি বলে, "বাবার বন্ধু হওয়ায় মকবুল আমাদের বাড়িতে প্রায় যাতায়াত করতো। যাতায়াতের সূত্রে মকবুলের সঙ্গে আমার সখ্য গড়ে ওঠে। ব্যাপারীটারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় মকবুলের সঙ্গে তার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যাই। সেখানে মকবুল আমাকে প্রথম ধর্ষণ করে। পরে কান্নাকাটি করলে মকবুল ভয়ভীতি দেখায়। তাই কাউকে বিষয়টি জানাতে পারিনি।"

ভিডিওতে দেখুন কি বলছে ওই মেয়েটি

সে আরও জানায়, "এরপর থেকে আমাকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছে মকবুল। বুধবার সকালে আমাদের বাড়ির মোবাইল নম্বরে ফোন দিয়ে পাশের ভ্যানচালক শামছুলের বাড়িতে ডেকে নিয়ে আমাকে মিলনে বাধ্য করে সে। ওই সময় মকবুলের স্ত্রী এসে আমাদের হাতেনাতে আটক করে, সেই সঙ্গে আমাকে মারধর করে। পরে একই এলাকার আনছার আলীর ছেলে মিন্টুসহ কয়েকজন গ্রামবাসী আমাকে উদ্ধার করে। ওই সময় মকবুল পালিয়ে যায়।"

এদিকে, এ ঘটনার পর লোকলজ্জায় মেয়েকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন বাবা-মা। পরে গ্রামবাসী মেয়েটিকে ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে নিয়ে যায়।

ভিডিওতে দেখুন কি বলছে ওই মেয়েটি

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা পারিবারিকভাবে আলোচনা করে যাচ্ছি, দেখি শেষপর্যন্ত কি করা যায়। সমাধান করা গেলে করবো, না হয় আইনের আশ্রয় নেব।