ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আলামত শুরু

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আজ উপকূলীয় জেলা বাগেরহাট জুড়ে বৃষ্টি হচ্ছে। কোথাও কোথাও বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বইছে।



এ দিন দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বৃষ্টি শুরু হয়। শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বইছে। বাগেরহাটের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করেছে।

সকাল থেকে রোদ থাকলেও হঠাৎ বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে মানুষ দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করছে। মাঠের পাকা ধান ও বাড়ির উঠানে শুকানোর জন্য রাখা ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছে কৃষক পরিবারগুলো।


শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা উপজেলার ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। সতর্ক সংকেতে ভয়াবহ বার্তা পরিবেশন করায় উপকূলবাসীর মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। মাটি, ছন ও টিনের ঘরের বাসিন্দাদের দুশ্চিন্তা সব থেকে বেশি।

কচুয়া উপজেলার রকি শেখ বলেন, ভোরে সূর্য দেখে ধান সিদ্ধ করেছিলাম। সাড়ে সাতটা নাগাদ রোদ ওঠায় সিদ্ধ ধান উঠানে রোদে দিয়েছিলাম। রোদের মধ্যেই দুপুরের দিকে বৃষ্টি শুরু হলো। তড়িঘড়ি করে সব ধান ঘরে ওঠাতে পারিনি। কিছু ধান ভিজে গেছে। এছাড়াও অনেক কৃষক শ্রমিক নিয়ে ধান কাটছিলেন মাঠে।


শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আছাদুজ্জামান মিলন বলেন, দুপুর থেকেই আমাদের এখানে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বইছে। আমরা স্থানীয়দের ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলেছি। ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধদের আমরা স্বেচ্ছাসেকদের সহায়তায় আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়েছি। সতর্কতা মূলক মাইকিং চলছে।