যশোরে নানার ধর্ষণে নাতনি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা !

যশোরের কেশবপুরে নানা বিলাল শেখের দ্বারা নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১৫ বছর বয়সের নাতনিকে ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে গর্ভপাত ঘটিয়ে সন্তান মাটিতে পুতে ফেলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।



প্রসূতি শিশু ছাত্রীকে নির্জন স্থানে রেখে চিকিৎসা করানো হচ্ছে। এরই মধ্যে পুলিশ হেফাজতে প্রসূতিকে যশোর নিয়ে মেডিকেল টেস্ট করাসহ তাকে ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট নিয়ে ২২ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়েছে।

ভিডিওতে দেখুন ওই মেয়েটির জবানবন্দী

এদিকে গর্ভপাত ঘটানো শিশুটিকে যাতে মাটি চাপা থেকে তুলে সরিয়ে ফেলতে না পারে তার জন্যে সেই কবর স্থানে বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থা করে সেখানে দুজন থানা পুলিশ ও তিনজন গ্রাম পুলিশ তিন দিন ধরে রাতে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়।

মাটিচাপা দেয়া স্থান থেকে ৪ দিন পর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ এনামুল হকের উপস্থিতিতে লাশটি তোলা হয়। এর পর নবজাতকের লাশের ময়না তদন্তের জন্যে যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কেশবপুর উপজেলার ধর্ষণের শিকার মেয়েটি খুব ছোট অবস্থা থেকে একই উপজেলার নানার বাড়িতে থাকা শুরু করে। সেখানেই লেখাপড়া শুরু করে। বর্তমানে ওই মেয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী।

ভিডিওতে দেখুন ওই মেয়েটির জবানবন্দী

মেয়েটির প্রতি লোলুপ দৃষ্টি দেয় তারই নানা তিন সন্তানের জনক বিলাল সরদার (৫৫)। লম্পট বিলাল সুযোগ বুঝে মেয়েটিকে জোর করে ধর্ষণ করে একদিন। এর পর বিভিন্ন ভয় ভীতি প্রদর্শন করে নিয়মিত তার সাথে যৌন মিলনে বাধ্য করতে থাকে ওই নানা। এরই মধ্যে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

গর্ভের সন্তানের বয়স ৭ মাস হলে মেয়েটিকে সন্তান নষ্ট করার জন্যে চাপ দিতে থাকে বিলাল। এক পর্যায়ে বিশেষ দুটি ট্যাবলেট খাওয়ানোর পর  ২৫ জুন সকালে গর্ভের সন্তান ‍ভূমিষ্ট হলে সেটি প্রথমে পুকুরের পানিতে ফেলে দেয় বিলাল। তখন কয়েকজন মহিলা সেটি দেখে ফেললে নবজাতকটি পানি থেকে তুলে এনে ঘটনার নায়ক বিলাল সেটি কবরস্থানে নিয়ে মাটিতে পুতে ফেলে।

ভিডিওতে দেখুন ওই মেয়েটির জবানবন্দী

এলাকাবাসী জানায়, এ ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেন। মেয়ের মামা ঘটনার জন্যে দায়ী লম্পট বিলাল-কে আসামী করে থানায় মামলা করেন।