দেশে মে পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে ১ লাখ মানুষ


করোনার বিস্তারের ভবিষ্যৎ গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে মে মাস পর্যন্ত প্রায় এক লাখ মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন। আর মৃত্যু হতে পারে প্রায় ৮০০ থেকে ১০০০ জনের। বিশেষজ্ঞদের তৈরি প্রক্ষেপণ থেকে এমন তথ্য সরকারকে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

(রোজা রেখে পুরষ্কার জিতুন, বিস্তারিত জানতে এখানে ভিজিট করুন)

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও প্রতিকারে গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং পরবর্তী করণীয় বিষয়ে অনুষ্ঠিত সভার কার্যবিবরণীতে এই তথ্য উঠে এসেছে। 

(রোজা রেখে পুরষ্কার জিতুন, বিস্তারিত জানতে এখানে ভিজিট করুন)
 
করোনা বিস্তারের ভবিষ্যৎ প্রক্ষেপণ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, বিশেষজ্ঞরা দুটি Scenario প্রস্তুত করেছেন। প্রথমটি কনজারভেটিভ। যে প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ৩১ মে পর্যন্ত ৪৮ থেকে ৫০ হাজার ব্যক্তি আক্রান্ত হতে পারেন এবং মৃত্যু হতে পারে প্রায় ৮০০ থেকে ১০০০ জনের। এছাড়া অন্য একটি প্রক্ষেপণ অনুসারে, এই আক্রান্ত সংখ্যা হতে পারে প্রায় এক লাখ।

(রোজা রেখে পুরষ্কার জিতুন, বিস্তারিত জানতে এখানে ভিজিট করুন)

তিনি জানান, এই Worst case Scenario বিবেচনায় রেখে আমাদের সর্বোচ্চ সক্ষমতা অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়া এসব scenario modeling-এ অনেকগুলো Factor বিবেচনা ও ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন: Lock down, Awareness, Social distancing ইত্যাদি এবং এগুলোর বর্তমান পর্যায়।

সর্বশেষ চিকিৎসা নির্দেশনা অনুসারে আক্রান্তদের মধ্যে ২০ শতাংশ রোগীর হাসপাতাল নেবার প্রয়োজন পড়ে। সরকারি ও বেসরকারি মিলে সারাদেশে মোট ২০ হাজার শয্যা প্রস্তুত করা হচ্ছে।


(রোজা রেখে পুরষ্কার জিতুন, বিস্তারিত জানতে এখানে ভিজিট করুন)
 
যেসব এলাকায় করোনার প্রাদুর্ভাব বেশি, সেসব এলাকায় লকডিউন ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃঢ় অবস্থান গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

দেশে এপর্যন্ত করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৪৬২ জন। এরমধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৫৫ জনের। সুস্থ হয়েছেন ১৩৯ জন। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী পাওয়ার পর গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল এবং পরে ৫ থেকে ৯ এপ্রিল, এরপরে ১৪ এপ্রিল এবং এরপরে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। সর্বশেষ ২৬ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত আরও ১০ দিন বাড়ানো হয় এই ছুটি।

এই সাধারণ ছুটিতে গণপরিবহন ছাড়াও জরুরি সেবায় নিয়োজিত ছাড়া সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে ১৮ মার্চ থেকে।