Sponsored

ভোটার উপস্থিতি বিষয় না, কালই ঢাকার সংসদ নির্বাচন: ইসি সচিব

আগের নির্বাচনগুলো খুব ভালো পরিবেশে হওয়ার পরও যেহেতু ভোটার উপস্থিতি কম ছিল, করোনাভাইরাসের কারণে এবার ভোটার উপস্থিতি আরও কম হবে। এটাই ধরে নেওয়া হয়েছে। এতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কম থাকবে। আর আইন অনুযায়ী একজনও ভোট দিলে নির্বাচন হবে। আর প্রার্থীদের মধ্যে যিনি বেশি ভোট পাবেন, তিনিই নির্বাচিত হবেন।



বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাজধানীর নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর।। এসময় তিনি জানান, ভোটকেন্দ্রগুলোতে হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষায় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফলো করোনা আক্রান্তের কোন সম্ভাবনা থকেবে না। নির্ধারিত সময়েই ভোট হবে।


মো. আলমগীর বলেন, বৈঠকে কমিশন এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। এই নির্বাচন বন্ধ করলে সুবিধা কী এবং না করলে কী সুবিধা— এসব বিবেচনা করে সবমিলিয়ে ২১ মার্চ নির্বাচন হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাছাড়া ঢাকা-১০ আসনে নির্বাচন বন্ধের বিষয়ে কোনো অনুরোধও প্রার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি।

তবে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান ইসি সচিব। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ব্যানারসহ অন্যান্য সুরক্ষার ব্যবস্থা থাকবে।

উপনির্বাচন নিয়ে কমিশনের সব প্রস্তুতি নেওয়া শেষ উল্লেখ করে সচিব বলেন, এই নির্বাচন ঘিরে অনেক শ্রম ও টাকা-পয়সা খরচ হয়েছে। নির্বাচনি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এখন নির্বাচন বন্ধ করলে আর্থিক ক্ষতি হবে। তাছাড়া নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করলে ওই সময় আবার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এতে করে অনেক টাকা অপচয় হবে। এসব কথা চিন্তা করেই ভোটের তারিখ না পেছানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া দেশে করোনাভাইরাস এখনো মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েনি বলেই ভোটের তারিখ বদলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান ইসি সচিব।



ভোট দিতে গিয়ে কেউ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলে এর দায় কমিশন নেবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি আছে। প্রতিটি বুথের পাশে ব্যানার থাকবে। কী করণীয়, ব্যানারে তার দিকনির্দেশনাও থাকবে।

২১ মার্চ তিন উপনির্বাচনের ভোট চললেও জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে জানান মো. আলমগীর। তিনি বলেন, প্রবাসীদের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে— এ আশঙ্কায় ৩১ শে মার্চ পর্যন্ত এনআইডি সংক্রান্ত সেবা বন্ধ থাকবে।