Sponsored

যেসব বদঅভ্যাসের কারণেই করোনা থাবা বসাচ্ছে শরীরে!

করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে। জানেন কি? একটি করোনাভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে তার থেকে জন্ম নেয় লাখো করোনা। এতে যেমন মৃত্যুঝুঁকিও রয়েছে আবার অনেকে সুস্থ হয়ে ফিরে আসছে।
ভয়াবহ এই ব্যাধি থেকে নিস্তার পেতে সবাই মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস পরলেও কি কিছু বদঅভ্যাস ত্যাগ করেছি আমরা? আর সেসব ছোট-খাট বদঅভ্যাস কিংবা অসতর্কতার কারণেই শরীরে থাবা বসাচ্ছে মরণ এই ব্যাধি।



করোনামুক্ত থাকতে আমরা অনেকে মাস্ক ব্যবহার করছি বা সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিচ্ছি। তবে এতেই কি আমরা নিরাপদ থাকছি? তবে সচেতন থাকার পরও যেসব কারণে থাকতে পারে করোনাভাইরাসের ঝুঁকি-

১. অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করলে যত্রতত্র তা হাত দিয়ে খুলে ফেলছেন এতে করে হাতে থাকা জীবাণু মুখে লাগছে। এর মাধ্যমেই অতি সহজে যে কেউ করোনা ভাইরাসটি নিজ শরীরে বহন করবে।

২. আপনি হাতও ধুচ্ছেন আবার মাস্কও ব্যবহার করছেন কিন্তু হাতের সাহায্যে মুখ থেকে থুতু নিয়ে টাকা গুনছেন! এতে করে টাকায় থাকা জীবাণু আপনার মুখসহ হাতে ছড়িয়ে পড়ছে। শুধু টাকা নয় আপনি যদি বইয়ের পৃষ্ঠাও এভাবে উল্টান তবে সাবধান থাকুন!

৩. জানেন কি? আপনার ছয় ফিট দুরত্বে যদি কোনো করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তি হাঁচি বা কাশি দেয় তবে আপনিও ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হতে পারেন। এজন্য ভিড় এড়িয়ে চলুন।

৪. প্রত্যেকেরই কিছু বদঅভ্যাস রয়েছে যেমন- নাকে বা আঙুল দেয়া, মুখে আঙুল দেয়া ইত্যাদির কারণে করোনাভাইরাস সহজেই আপনার শরীরের অন্দরে প্রবেশ করবে।

৫. আপনার হাতের স্মার্টফোনটির মাধ্যমেও কিন্তু করোনা ছড়াবে। অন্তত ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত মোবাইলে করোনাভাইরাসের জীবাণু থাকে। এই সময়ের মধ্যে আপনি যেসব স্থানে ফোনটি রাখবেন সেসব স্থানেই কিন্তু ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে। এজন্য ফোনটিও পরিষ্কার করতে হবে।

৬. অনেকেই সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় রেলিং ধরে থাকেন। এই অভ্যাসটি দূর করুন নইলে বিপদে পড়বেন আপনিই। কারণ একই সিঁড়ির রেলিং যদি কোনো করোনা রোগী ধরে থাকে তবে সেই জীবাণু অবশ্যই রয়ে যাবে ওই রেলিংয়ে।

৭. এছাড়াও লিফট ব্যবহারের সময় আঙুলের স্পর্শে বাটন চাপবেন না। প্রয়োজনে টিস্যু বা টুথপিক ব্যবহার করুন।

৮. ঠিক একইভাবে দরজা বা ফ্রিজের হাতল, সুইচ বোর্ডে হাত দেয়ার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন।

৯. অপরিষ্কার হাতে মুখ স্পর্শ করলে ততক্ষণাৎ মুখ ও হাত দুটোই সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কারণ হাতে থাকা ভাইরাস সহজেই মুখে ছড়িয়ে পড়ে অতঃপর চোখ নাক ও মুখ দিয়ে প্রবেশ করতে পারে।

১০. অসচেতনভাবে বাইরে ঘোরাফেরা না করে আপাতত ঘরেই থাকুন। মনে রাখবেন, আপনি করোনার বাহক হলে তা ছড়িয়ে পড়বে আপনার পরিবারের সবার মধ্যে। সামান্য অসতর্কতায় এখন মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।