Sponsored

একজন করোনা রোগী বাসে উঠলে তো সবাই শেষ

গোটা বিশ্ব করোনা আতঙ্কে স্থবির, বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। এরই মধ্যে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছেছে, মারাও গেছেন। এই যখন চিত্র, তখন এ ভাইরাস মোকাবেলায় প্রথম থেকেই সবাইকে হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখার আহ্বান জানানো হলেও দীর্ঘদিনের অভ্যাস কতটুকু বদলেছে তা এই চিত্রই বলে দেয়। রাজধানীতে গণপরিবহনে তেমন কোনো প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে জনসমাগম এড়ানোর নির্দেশনা দেয়া হলেও বাসগুলোতে এখনো আগের মতো গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এতে করোনা ছাড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে।



চা-এর দোকান থেকে রাজধানীর ফুটপাত, সবখানেই দাঁড়িয়ে এক কাপেই চলছে চা পান, সাথে আড্ডা আর ফুটপাতের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দাঁড়িয়ে খাবার খাওয়া।একজন নগরবাসী বললেন, চা সিগারেট যেগুলো দোকানে খাচ্ছে সেগুলো বন্ধ করে দেয়া উচিত। খাওয়ার হোটেলের চিত্রও একই। কোন ধরনের হ্যান্ড গ্লাভস ছাড়াই চলছে খাবার পরিবেশন।এই যখন অবস্থা, তখন নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে করোনা ভাইরাস নিয়ে গুজবের ছড়াছড়ি, আবার কেউ জানেনই না এই ভাইরাস কি, কিভাবে সচেতন থাকতে হবে।


সকাল ৯টার দিকে যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ বাসস্ট্যান্ডে দেখা যায়, এখান থেকে গুলিস্তান বাস সঙ্কট। বিপুল সংখ্যক যাত্রী গাড়ির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে। এ রুটে চলাচলকারী দু-একটা গাড়ি আসলে যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে উঠছেন। কাউকে কাউকে জানালা দিয়েও বাসে উঠতে দেখা গেছে। এই এলাকা থেকে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার দিয়ে গুলিস্তান চলাচলকারী শ্রাবণ পরিবহনের বাসগুলোতে গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করতে দেখা গেছে।