Sponsored

প্রতিদিন হাজার মানুষের নমুনা পরীক্ষা করতে না পারলে করোনায় বাংলাদেশে হবে মহাবিপর্যয়ের

পরীক্ষাগারের সংখ্যা বাড়িয়ে প্রতিদিন হাজার মানুষের নমুনা পরীক্ষা করতে না পারলে করোনায় মহাবিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, দেশে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়েছে, কি হয়নি-সে বিতর্কে না গিয়ে দরকার দ্রুত রোগী শনাক্তকরণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া। আর এ কারণেই পরীক্ষাগারের সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।



এদিকে বাংলাদেশের সব লোকাল ও মেইল ট্রেন বন্ধ ঘোষণা করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। আজ সকালে এমন ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ২৬ মার্চ থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সকল প্রকার ট্রেন বন্ধ ঘোষণা করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। ১৭ কোটি মানুষের জন্য খোলা রয়েছে আইইডিসিআরের ১৭টি হটলাইন নম্বর। দিনভর চেষ্টার পর যারা কোনো মতে এর একটি নম্বরে সাড়া পান, বিদেশ ভ্রমণের হিস্ট্রি না থাকায় তাদের অধিকাংশই পান না নমুনা পরীক্ষার সুযোগ।


এর আগে রোববার দেশের সুপারমার্কেটগুলোসহ সব দোকান বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২৫ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দোকানগুলো বন্ধ থাকবে। তবে, কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান খোলা থাকবে।


গত আড়াই মাসে আক্রান্ত দেশগুলো থেকে লক্ষাধিক প্রবাসী দেশে ফিরলেও নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মাত্র ৬২০ জনের। যেখানে দেড় সপ্তাহে ৩৩ জন শনাক্ত হওয়ার খবর প্রকাশ করেছে আইইডিসিআর। সারা দেশে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী বেসামরিক বাহিনীকে সহায়তা করবে । বিদেশ থেকে ফেরত আসা ব্যক্তির অবস্থান নির্ণয় ও তাদের নিজ নিজ অবস্থানে কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করাই হবে সেনাবাহিনীর মূল লক্ষ্য।


এদিকে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত বা মারা যাবার খবর এলেও সেটি প্রমাণ করবার কোন সুযোগ নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্প্রতি রাজধানীর টোলারবাগে দুইজনের মৃত্যু কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের প্রমাণ রাখলেও আইইডিসিআর এর ঘোষণা আসেনি এখনও।