Sponsored

ট্রাফিক বক্সে বিস্ম্ফোরণ, পুলিশ ও শিশুসহ আহত ৫

চট্টগ্রামে একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্সে বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর ষোলশহর দুই নম্বর গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরকের আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ।




এ ঘটনায় আহতরা হয়েছেন, ট্রাফিক সার্জেন্ট মো. আরাফাত, এএসআই আতাউদ্দিন, পথচারী জাহিদ বিন জাহাঙ্গীর ও মো. সুমন। আহত শিশুর পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহত দুই পুলিশ সদস্যকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


জানা গেছে, ষোলশহর দুই নম্বর গেট এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। রাত সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। লোকজন ভয়ে দিগবিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন। বিস্ফোরণে পুলিশ বক্স থাকা ট্রাফিক সার্জেন্ট আরাফাতের মুখমণ্ডল ও হাত পুড়ে যায়। সার্জেন্ট আতাউদ্দিনের মুখমণ্ডলও দগ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া বিস্ফোরণে পুলিশ বক্সের চারদিকের কাচ ভেঙে পড়ে।

আহত সার্জেন্ট আতাউদ্দিন বলেন, 'বক্স দায়িত্ব পালন করছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দ হয়। চেয়ার উড়ে যায়। এরপর কী হয়েছে আর বুঝতে পারিনি।'

রাত পৌনে ১১টায় ঘটনাস্থলে থাকা নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আমেনা বেগম বলেন, প্রথমে শর্টসার্কিট থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। তবে ঘটনাস্থলে এসে দেখি এটা বিস্ফোরণ। বিস্ফোরকের আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে। দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের অগোচরে কেউ হয়তো বিস্ফোরক রেখে গেছে। ঢাকা থেকে বম্ব ডিসপোজাল টিম আসছে। তারা এসে এটি কোন ধরনের বিস্ফোরক ছিল তা নিশ্চিত করবে। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক ভূঁইয়া বলেন, দগ্ধ দুই পুলিশ সদস্যকে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের একজনের মুখ এবং আরেকজনের মাথা ও হাত পুড়ে গেছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের উপ-কমিশনার মো. শহীদুল্লাহ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এদিকে বিস্ফোরণের পরপরই ট্রাফিক বক্সসহ এলাকাটি ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান কাউন্টার টেররিজম, সোয়াত ও পুলিশের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ঘটনার পর থানা ফাঁড়ি ও নগরে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।